Ticker

6/recent/ticker-posts

Journalist Lifestyle: ব্যস্ততার জ্বালায় ক্ষুব্ধ সদ্যবিবাহিতা গৃহমন্ত্রী! মান ভাঙাতে সাংবাদিক স্বামীর অ্যাসাইনমেন্ট-সঙ্গী স্ত্রী!!

Journalist Lifestyle স্বামী সাংবাদিক। ব্যস্ত থাকেন কাজে। সদ্য বিয়ে হয়েছে। একের পর এক ঘটনার প্রেক্ষিতে হানিমুনেও যাওয়া হয়নি। তার উপর স্বামী সারাক্ষণ ব্যস্ত থাকেন। অভিমানী স্ত্রী ঠোঁট ফুলিয়ে চোখের জল ফেলতেন সংগোপনে। বিষয়টি নজর এড়ায়নি স্বামীর। এরপরেই স্ত্রীর চোখের জল মোছাতে অভিনব পন্থা নেন সাংবাদিক স্বামী। বিষয়টি ঠিক কী? জেনে নিন বিস্তারিত...
 
সুরজিৎ দাস এবং কুহেলি দাস

লাইট-ক্যামেরা আর রিয়েলিটি-সাংবাদিকের জীবন। দু’মাসের প্রেম, এরপরেই চারহাত এক হয়েছে নদিয়ার সাংবাদিক সুরজিৎ দাস এবং কুহেলির। নতুন জীবন, কিন্তু, স্বামী দিন-রাত হন্যে হয়ে সংবাদের খোঁজ করেন।

বিয়ের কয়েক মাসের মাথায় হাঁসখালির ঘটনা। নদিয়ার এই সাংবাদিক দিন -রাত মাটি কামড়ে ঘটনাস্থলে পড়ে রয়েছেন খবরের সন্ধানে। এদিকে অভিমানী স্ত্রী, বালিশে মুখ গুজে অনেক সময় কাঁদতেন। এরপরেই খবরের পেছনে দৌড়ানোর সময় জীবনসঙ্গীকে সঙ্গী করার কথা চিন্তা করেন সুরজিৎ। যেমনি ভাবা তেমনই কাজ, আপাতত বুম, ক্যামেরার পাশাপাশি সাংবাদিক সুরজিতের সঙ্গী স্ত্রী কুহেলি।

মাত্র চার মাস আগের কথা-রাতে ঝলমলে আলোয় চারহাত এক হয়েছিল কৃষ্ণনগরের কয়া গ্রামের কুহেলির সঙ্গে শান্তিপুরের শ্যামনগরের সুরজিতের। তার আগে মাত্র দু'মাস ফেসবুকে প্রেম করেছেন। ম্যাসেঞ্জারে প্রথম আলাপ, এরপর মন দেওয়া নেওয়া। সোশ্যাল আলাপ গড়ায় বিয়ে পর্যন্ত।

কিন্তু, বিয়ের পর মিস্টার দাস সবসময়ই ব্যস্ত। খুন-ডাকাতি- নারী নির্যাতন ছুটে যেতে হত তাঁকে। সাংবাদিক সুরজিতের কথায়, “ওঁর সঙ্গে সময় কাটানোর জন্য সময় কোথায়! মানসিক দূরত্ব বাড়ছিল। মাঝে মধ্যে ও বালিশে মুখ গুঁজে কাঁদত। এরপরেই সিদ্ধান্ত নিই ওঁকে সঙ্গে নিয়ে যাব।”

আপাতত হাঁসখালির ঘটনার রিপোর্টিংয়ের ব্যস্ত সুরজিৎ। স্বামী হাতে বুম নিয়ে দাঁড়িয়ে ক্যামেরার ওপ্রান্তে থাকেন স্ত্রী কুহেলি। স্বামীর সঙ্গ পেতে বাংলা অনার্সের প্রথম বর্ষের ছাত্রী ধীরে ধীরে হাত পাকাচ্ছেন সাংবাদিকতায়। কুহেলিও কেরিয়ার হিসেবে সাংবাদিকতা বেছে নিতে চায়ছেন। সুরজিতের কথায়, “স্ত্রী যদি সাংবাদিক হতে চান তাতে আপত্তি নেই।”

কিন্তু, কথিত রয়েছে দূরে থাকলে প্রেম নাকি বাড়ে। সেক্ষেত্রে সংবাদ সংগ্রহে ব্যস্ত স্বামীর সঙ্গে সর্বক্ষণ থাকলে কি কোনওভাবে প্রেম হারিয়ে যায়? এই প্রশ্নের জবাবে সুরজিৎ-এর মতামত অবশ্য বিস্তর আলাদা। তাঁর কথায়, "একসঙ্গে থাকলে প্রেম বাড়ে বই কমে না। ও আমাকে সাহায্য করে কাজে। কাজটা ঠিকমতো করে দিই। তাই অফিস থেকে বাধা দেওয়ার প্রশ্নও ওঠে না।”

তাঁদের এই প্রেম এই মুহূর্তে সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনার ‘হটটপিক’। সাংবাদিকের জীবনের সময়ের অভাব এবং সঙ্গীকে পাশে নিয়ে চলার শপথ-কীভাবে সামঞ্জস্য আনছেন সুরজিৎ, তা দেখে রীতিমতো আপ্লুত নেটিজেনদের একাংশ।

সৌজন্যে : এই সময়

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ